1. abdullahharun2014@gmail.com : dailysarabela24 :
শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৩:৫৮ অপরাহ্ন
নোটিশ :
দৈনিক সারাবেলা ২৪ , সত্য সংবাদ প্রকাশে আপোষহীন visit . www.dailysarabela24.com অনলাইন ভিত্তিক নিউজ পোর্টাল সংবাদ পড়ুন ও মন্তব্য করুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের এড দিন , সংবাদ প্রকাশের জন্য যোগাযোগ করুন - ০১৯৭১-৮৪১৬৪২,০১৩২২-১৭৫০৫২
সংবাদ শিরোনাম:
ফেনীর বালিগাঁও এর বক্সবাজার ঈদগাহ এর তুন কমিটি গঠন করা হয়েছে মিয়ানমারের ভূমিকম্পে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী ও মেডিকেল টিমের অভিযান অব্যাহত মিয়ানমারে ভূমিকম্প: মৃতের সংখ্যা ৩ হাজার ছাড়িয়েছে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে মুখ খুললেন টিউলিপ ধলেশ্বরী নদীতে সেনা অভিযান: দেশীয় অস্ত্রসহ কিশোর গ্যাং ওরফে ডেঞ্জার গ্যাং এর ১৬ জন আটক তাইওয়ানের চার পাশে চীনের বড় আকারের সামরিক মহড়া জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে প্রয়োজনে আবারো রাজপথে নামতে হবে— রকিবুল ইসলাম বকুল বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান ড. ইউনূস সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বিছট গ্রামে বেড়িবাঁধ ভেঙে বিস্তর এলাকা প্লাবিত থানায় জিডি করলেন ভোক্তা অধিকারের জব্বার মন্ডল

প্রমাণ মিলেছে বেক্সিমকোর হাজার কোটি টাকা পাচারের

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২২ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৪৫ বার ভিউ

বিশেষ প্রতিবেদন :
অনিয়ম দুর্নীতি, প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যাংকিং নিয়মাচার ভেঙে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে ‘বেক্সিমকো গ্রুপ’। অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের ঋণের অর্থ ঢুকিয়েছে নিজেদের হিসাবে। গ্রুপটি তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে নানা কৌশলে কর ও শুল্ক ফাঁকি দিয়েছে। একইসঙ্গে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের আড়ালে করেছে অর্থ পাচার।

সালমান এফ রহমানের গ্রুপটির অনিয়ম ও অর্থ পাচারের প্রমাণ পেয়েছে আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। গ্রুপটির বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি অর্থ পাচারের অধিকতর অনুসন্ধান ও তদন্ত করতে তিন সংস্থার সমন্বয়ে যৌথ টিম কাজ করছে। সংস্থাগুলো হলো— দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তদন্ত সমন্বয় করছে আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।

তদন্ত সংস্থাকে দেওয়া চিঠিতে বিএফআইইউ জানায়, সালমান এফ রহমানের ‘বেক্সিমকো গ্রুপ’ স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান দুর্নীতি, প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যাংকিং নিয়মনীতি লঙ্ঘন করে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন ব্যবসার নামে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে কোটি কোটি টাকার ঋণের দায় রয়েছে। এছাড়াও সালমান এফ রহমান আইএফআইসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান থাকাকালে বিভিন্ন অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নামে কোটি কোটি টাকা ঋণ নিয়ে বেক্সিমকো গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হিসাবে লেনদেন করেছেন।

এমন পরিস্থিতিতে সালমান এফ রহমান ও তার প্রতিষ্ঠানের ঘুষ, দুর্নীতি, প্রতারণা, জালিয়াতি, মুদ্রা পাচার, কর ও শুল্ক সংক্রান্ত অপরাধসহ বিভিন্ন অপরাধের অনুসন্ধানের স্বার্থে তিন সংস্থার সমন্বয়ে যৌথ অনুসন্ধান ও তদন্ত দল গঠন করা হয়েছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, তদন্ত দলকে বেশ কিছু শর্ত দেওয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী তাদের সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ আইন ও বিধিমালা মেনে অনুসন্ধান ও তদন্ত করতে বলা হয়েছে। অনুসন্ধান কার্যক্রমের তথ্য গোপনীয়তা ও সংবেদনশীলতা কঠোরভাবে রক্ষার নির্দেশনা রয়েছে। দলের প্রধানকে নিজ সংস্থার অনুমোদন নিয়ে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করতে বলা হয়েছে।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়। ১৪ আগস্ট ঢাকার সদরঘাট এলাকা থেকে সালমান এফ রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ১ সেপ্টেম্বর বেক্সিমকো গ্রুপের প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের বিষয়টি অনুসন্ধান শুরু করে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট। ২২ আগস্ট সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎসহ বিদেশে টাকা পাচারের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক।

শেখ হাসিনার পরিবারসহ বিতর্কিত ১০ শিল্পগোষ্ঠীর আর্থিক অপরাধ অনুসন্ধানে ১১টি যৌথ অনুসন্ধান ও তদন্ত দল গঠন করা হয়। এসব দল আলাদা আলাদা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অপরাধ তদন্ত করবে।

শেখ পরিবারের ও তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ও ট্রাস্টের বাইরে যে ১০ শিল্পগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে সেগুলো হচ্ছে— আরামিট গ্রুপ, এস আলম গ্রুপ, বেক্সিমকো, নাসা, সিকদার, বসুন্ধরা, সামিট, ওরিয়ন, জেমকন ও নাবিল গ্রুপ। এসব গ্রুপের মালিক, স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান তদন্তের আওতায় থাকবেন। ইতিমধ্যে তাদের দেশে ও বিদেশে বিপুল সম্পদের খোঁজ পেয়েছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।

এদিকে গত সপ্তাহে বাংলাদেশ ব্যাংক আয়োজিত ‘মানি লন্ডারিং অপরাধ অনুসন্ধানে গঠিত যৌথ অনুসন্ধান ও তদন্ত দলের কার্যক্রম’ বিষয়ক এক বৈঠক হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। বৈঠকে শেখ হাসিনা পরিবারসহ ১০ শিল্পগোষ্ঠীর অনিয়ম তদন্তে গঠিত ১১টি দলকে আইনি ব্যবস্থার মাধ্যমে অর্থ উদ্ধারে সমন্বিতভাবে কাজ এগিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেন গভর্নর।

অনুসন্ধান ও তদন্তের আওতায় নেওয়া গ্রুপগুলোর বেশিরভাগেরই ব্যাংক হিসাব ইতিমধ্যে জব্দ করেছে বিএফআইইউ। তাদের ব্যবসায়িক ও অন্যান্য লেনদেন, ঋণের সুবিধাভোগীসহ বিভিন্ন বিষয় অনুসন্ধান চলছে। ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সিঙ্গাপুর, কানাডা ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ (ইউএই) বিভিন্ন দেশে তাদের সম্পদের বিষয়ে জানতে চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ©2024 ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com